মালদা

ভুয়ো চিকিৎসককের দেওয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থ গ্রামবাসিরা

ভুয়ো চিকিৎসককের দেওয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থ গ্রামবাসিরা। ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদার সাহাপুর ২ নম্বর বিমল দাস কলোনিতে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে গ্রাম পঞ্চয়ায়েতের সদস্যা মানসী সরকার কলকাতা থেকে একটি ডাক্তারকে আনেন এবং তাঁর বাড়িতে একটি চেম্বার করেন ডাক্তারের। এরপর পঞ্চয়ায়েতের সদস্যা মানসী সরকার গ্রামে প্রত্যেককে বলে আসেন যে তাদের বাড়িতে কলকাতা থেকে একজন চিকিৎসক আসবেন। সেখানে ২০ টাকা করে টিকিট করে প্রায় ১০০ জনকে ওই চিকিৎসক দেখবেন।এমনকি প্রত্যেক মানুষের পুরো শরীর পরীক্ষা করা হবে একটি মেশিনের সাহায্যে এমনটাও বলা হয়। সেই মতো গ্রামের বহু মানুষ ওই চিকিৎসকের কাছে যান। প্রায় সবাইকে ১০০০ টাকা ও ১২০০ টাকার ওষুধ দেন ওই চিকিৎসক। এরপর কিছু যেতে না যেতে ওই ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেকেই। এমনকি অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত হতে হয় এবং অনেকেই এখনও চিকিৎসাধীন। সেই একবার দেখে যাবার পর আর গ্রামে আসেননি ওই চিকিৎসক। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষোভে বিডিও ও জেলা শাসককের কাছে পঞ্চয়ায়েতের সদস্যা মানসী সরকারের নামে লিখিত অভিযোগ জানান। যাতে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হক এবং তাকে শাস্তি দেওয়া হক।

            যদিও এই অভিযোগ একেবারেই ভিক্তিহিন বলে জানিয়েছেন পঞ্চয়ায়েতের সদস্যা মানসী সরকার। তিনি বলেন আমার কথা মতো কোন কিছু হয়নি। আমাকে প্রধান সাহেব ডেকে ছিলেন এমনকি আরও অন্যান্য প্রত্যেকটির মেম্বারকে একত্রিত করে বলা হয়েছিল যে গ্রামে একটি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক আসবেন। তিনি সবকয়টি গ্রামে গিয়ে মানুষের চিকিৎসা করবেন। তাকে গ্রামের স্কুল বা ক্লাবে জায়গা দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু এলাকায় কোন স্কুল বা ক্লাব না থাকায় তাঁর বাড়িতে জায়গা দেওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করেন। এরপরেই রাজি হন তিনি। চিকিৎসক নিজের আনা ওষুধ গ্রামের মানুষদের দিয়েছেন। ১৫ দিন পরে সেই চিকিৎসকের আসার কথা থাকলেও তিনি আসেননি। তাকে বার বার ফোন করা হলে তিনি জানান আজ যাব কাল যাব এই করে তাল বাহানা করে।

            তিনি আরও বলেন গ্রামের অনেক মানুষ এই ওষুধ খেয়ে উপকৃত হয়েছেন। এই গুজব যারা ছরাছে তারা বিজেপির লোক আমি কংগ্রেস করি তাই তারা রাজনৈতিক চক্রান্ত করে আমাকে ফাসাতে চাইছে। কারন সামনেই ভোট তাই তারা আমার বদনাম করতে চাইছে।